বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:৩৯ অপরাহ্ন

শিরোনামঃ
যুক্তরাষ্ট্রে বৈধ অবস্থানের মেয়াদ কিভাবে জানবেন, জানাল মার্কিন দূতাবাস অস্ট্রেলিয়াতে গিয়ে অস্ট্রেলিয়াকে হারানো অনেক বড় ব্যাপার: টাইগার বোলিং কোচ স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী দেওয়া নিয়ে যা বললেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী লুট-অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে পুলিশের বিশেষ ইউনিট গঠন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হালান্ড-চেরকির জোড়া গোলে ম্যানসিটির দাপুটে জয় রোনালদোর গোলে আল নাসরের জয়, গড়লেন রেকর্ড টপ এন্ড টি-টোয়েন্টি সিরিজের সেমিতে বাংলাদেশ এইচপি দল এআই ব্যবহার করে মানুষের মৌলিক অধিকার ক্ষুণ্ন করা যাবে না: প্রধান বিচারপতি ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে দীর্ঘ যানজট, চরম ভোগান্তিতে যাত্রীরা জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব নিলেন আইরিন খান

নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ফতুল্লায় চার্জার ফ্যান বিস্ফোরণে শিশুসহ একই পরিবারের ৫ জন দগ্ধ হয়েছেন৷ তাদেরকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকা শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্ল্যাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে। শুক্রবার (৯ জুন) সকালে কাশীপুর ইউনিয়ন খিলমার্কেট শেখ বাড়ির এলাকার সোহাগের ভাড়াটিয়া বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। দগ্ধরা হলেন- রিকশাচালক মো. সালাম মন্ডল (৫৫), তার স্ত্রী পোশাক কারখানার শ্রমিক বুলবুলি বেগম (৪৫), মেয়ে সোনিয়া আক্তার (২৮), ছেলে মো. টুটুল (২৫), নাতনি মেহজাবিন (৭)৷ তাদের গ্রামের বাড়ি নাটোরের গুরুদাসপুর থানার রিয়ারঘাট এলাকা। শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্ল্যাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন তরিকুল ইসলাম জানান, সকাল সাড়ে নয়টার দিকে একই পরিবারের পাঁচজন সদস্য বার্ন ইনস্টিটিউটে ভর্তি হন৷ তাদের মধ্যে সালাম মন্ডলের শরীরের ৭০ শতাংশ, বুলবুলির ২৫ শতাংশ, সোনিয়ার ৪২ শতাংশ, টুটুলের ৬০ শতাংশ মেহজাবিনের ৩৫ শতাংশ পুড়ে গেছে৷ তাদের সকলের অবস্থা আশঙ্কাজনক৷ ফতুল্লা মডেল থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) মো. মহসীন বলেন, ‘একইঘরে ঘুমাচ্ছিলেন পরিবারের পাঁচজন সদস্য৷ রাতে চার্জারফ্যান বৈদ্যুতিক সংযোগের সাথে চার্জ দিয়ে ঘুমিয়ে পড়েন৷ অতিরিক্ত বিদ্যুতের চাপে চার্জার ফ্যান বিস্ফোরণ ঘটে আগুন ধরে যায়৷ সেখান থেকে বিছানায় আগুন ধরে গেলে ৫ জন দগ্ধ হন৷ এসময় ঘরের সিলিং ফ্যানও ক্ষতিসাধিত হয়। তার পরও ঘটনার তদন্ত করা হচ্ছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া আখাউড়া আন্তর্জাতিক ইমিগ্রেশন চেকপোস্টে সার্ভার জটিলতায় দুর্ভোগে পড়েছে পর্যটকরা। বৃহস্পতিবার সকাল ৮ টা থেকে ইমিগ্রেশনে সার্ভার জটিলাতা শুরু হলে ভারত- বাংলাদেশগামী শত শত যাত্রী আটকে পরে। এতে নারী শিশু সহ রোগীরা বেশি কস্ট করে। বেলা ১টার দিকে উর্ধতন কর্তৃপক্ষের অনুমতিতে বিমান যাত্রী এবং রোগীদেরকে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়।

সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সার্ভার বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর থেকে ভারত ও বাংলাদেশ গামী যাত্রীদের ভোগান্তিতে পরতে হয়। তীব্র গরমের অতিষ্ঠ হয়ে পরে যাত্রীরা। ইমিগ্রেশন এলাকাটি ছোট হওয়ায় ও বসার মত পর্যাপ্ত জায়গা না থাকায় শিশু ও বয়স্ক যাত্রীদের ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। বিশেষ করে বিমান ও ট্টেনের টিকেট কাটা ও ভারতে চিকিৎসা নিতে যাওয়া যাত্রীদের বিপদে পড়েছে।

ভারতে চিকিৎসা নিতে যাওয়া ভৈরবের সোহাগ বলেন, আমি সকাল ৮ টার সময় আখাউড়া ইমিগ্রেশনে এসে দাঁড়িয়েছি। এখন পর্যন্ত ইমিগ্রেশন শেষ করতে পারি নাই । আমি আমার ভাবিকে নিয়ে চেন্নাই চিকিৎসার জন্য যাব, আমার বিমানের ফ্লাইট দুপুর ১টায়। আমাদের ফ্লাইট সময় মতে ধরতে না পারলে এই দায়বার কে নিবে।

ভারত থেকে চিকিৎসা শেষ করে আসা আরেক যাত্রী সূবর্ণা শর্মা বলেন, আমি ভারেতর চেন্নাই থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ অপারেশন শেষ করে সকালে বাংলাদেশে এসেছি। দুপুর ১২ টা বাজে এখনো ইমিগ্রেশন সম্পূর্ণ করতে পারেনি,অসুস্থ শরীল নিয়ে এই গরমের মধ্যে বসে আছি। আরো কতক্ষণ অপেক্ষা করতে হয় জানি না।

এ বিষয়ে আন্তর্জাতিক ইমিগ্রেশন পুলিশের ইনচার্জ হাসান আহমেদ ভূঁইয়া বলেন, সকাল থেকে আমাদের সার্ভার কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2017 Nagarkantha.com